শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজার’র নির্বাচন আজ মধ্যরাতে স্কুল শিক্ষককে হত্যার হুমকি : শিক্ষকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী ছাত্র ইউনিয়নের মধ্যরাতে স্কুল শিক্ষককে হত্যার হুমকি : শিক্ষকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী ছাত্র ইউনিয়নের রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজার’র নির্বাচন কাল কক্সবাজার মহেশখালীর তহশিলদার জয়নাল দুদক’র হাতে গ্রেপ্তার মুজিববর্ষ উপলক্ষে জমিসহ নতুন ঘর পাচ্ছে ৮৬৫ গৃহহীন, শনিবার হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছালো করোনার টিকা ঈদগাঁও থানা শুভ উদ্বোধন করেন-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জঙ্গীবাদ—সন্ত্রাসের ন্যায় মাদকের বিরুদ্ধেও জয় হতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মনোনীত
মঙ্গলেও ছিল প্রাণ!

মঙ্গলেও ছিল প্রাণ!

লালগ্রহ মঙ্গল

প্রতিবেশী গ্রহ মঙ্গলেও প্রাণ রয়েছে। এই তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে দীর্ঘদিন। চলছে গবেষণাও। এই গবেষণা থেকেই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে নাসার বিজ্ঞানীরা। তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন, মঙ্গলেও লবণ ছিল, ছিল প্রাণ। সাত বছর ধরে মঙ্গলের ‘গেল ক্রেটার’ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে নাসার ‘কিওরিসিটি রোভার’ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।

পৃথিবীতে যেমন প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে, মঙ্গলেও তেমন প্রাণ ছিল। তার কারণ মঙ্গলে ছিল লবণজলের হ্রদ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জল শুকিয়ে যায় সেই হ্রদের। সেই হ্রদগুলি ক্রমেই ক্রেটার বা গহ্বরে পরিণত হয়।

বর্তমানে গবেষণা চালিয়ে নাসার বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, জল শুকিয়ে গেলেও হ্রদের হায়ে লবণের পুরু আস্তরণ রয়ে গেছে। মঙ্গলের ‘গেল ক্রেটার’ থেকে লবণের সেই আস্তরণই আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। তারপরই নাসা নিশ্চিত হয়েছে লালগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে।

এদিকে, কিওরিসিটি রোভার জানিয়েছে, প্রায় সাড়ে তিন বিলিয়ন বছর আগে ক্রেটারটি তৈরি হয়েছিল। চলতি সপ্তাহে নেচার জিও সায়েন্স জার্নালে এই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। গবেষণার নেতৃত্বে ছিল কালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির একটি দল। এই দলই গেল ক্রেটার থেকে ১৫০ মিটার উচ্চতার পলল পাথর উদ্ধার করেছে। মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ এই পলল পাথরেই সালফেট জাতীয় লবনের আধিক্য ছিল বলে জানতে পারেন গবেষকরা। প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সালফেটও ছিল ওই পাথরে। গহ্বরের গায়ে লবণের পুরু ওই আস্তরণ দেখেই গবেষকরা মনে করছেন, মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ দিচ্ছে ওই লবণের আস্তরণ।

বিজ্ঞানীরা জানান, হ্রদের জল যেখানে অগভীর ছিল, সেখানেই লবণ অধঃক্ষেপিত হয়েছে বেশি। পৃথিবীর সঙ্গে মঙ্গলের জলবায়ু বৈচিত্রের বিশেষ ফারাক নেই। তাই পৃথিবীর মতোই লবণ জলের হ্রদ শুকিয়েছে মঙ্গলেও। কীভাবে তা পরিবর্তিত হয়েছে, তা জানতেই গবেষণার জন্য গেল ক্রেটারকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া

শেয়ার করুন...

Design: POS Digital
Shares