শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজার’র নির্বাচন আজ মধ্যরাতে স্কুল শিক্ষককে হত্যার হুমকি : শিক্ষকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী ছাত্র ইউনিয়নের মধ্যরাতে স্কুল শিক্ষককে হত্যার হুমকি : শিক্ষকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী ছাত্র ইউনিয়নের রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজার’র নির্বাচন কাল কক্সবাজার মহেশখালীর তহশিলদার জয়নাল দুদক’র হাতে গ্রেপ্তার মুজিববর্ষ উপলক্ষে জমিসহ নতুন ঘর পাচ্ছে ৮৬৫ গৃহহীন, শনিবার হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছালো করোনার টিকা ঈদগাঁও থানা শুভ উদ্বোধন করেন-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জঙ্গীবাদ—সন্ত্রাসের ন্যায় মাদকের বিরুদ্ধেও জয় হতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মনোনীত
ইসহাকের মামলায় জবানবন্দি দেবেন বদি

ইসহাকের মামলায় জবানবন্দি দেবেন বদি

কক্সবাজার অফিস।।
ইসহাকের করা মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিতে যাচ্ছেন কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি।
বদির আইনজীবী কফিল উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি জানান, তিনি বৃহস্পতিবার আদালতে নিজে হাজির হয়ে জবানবন্দি দেবেন।
উল্লেখ্য ১৩ ডিসেম্বর মো. ইসহাক টেকনাফের সহকারী বিচারক জিয়াউল হকের আদালতে একটি মামলা করেন। মামলায় বদিকে নিজের বাবা দাবি করেন তিনি।
পিতৃত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনে ডিএনএ টেস্ট করারও চ্যালেঞ্জ করেন ইসহাক। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করে। ১৪ জানুয়ারি বদিকে জবানবন্দি দেয়ার নির্দেশ দেয়।
ইসহাকের মা সুফিয়া খাতুন নিউজবাংলাকে জানান, ১৯৯২ সালের ৫ এপ্রিল গোপনে তাকে বিয়ে করেন বদি। পরে জেনে যায় তার পরিবার। তখন তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই অবস্থায় বদির বোন পরিচয়ে জোর করে স্থানীয় রাজমিস্ত্রি নুরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয় তাকে।
ইসহাক জানান, তার মায়ের কাছেই তিনি বাবার পরিচয় জানতে পারেন। মায়ের হাত ধরে অসংখ্য বার বদির কাছে গিয়েছেনও। বদি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেছেন মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে দোয়া করেছেন লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

এতদিন কেন চুপ ছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসহাক জানান, তার বাবা বদির রাজনৈতিক শত্রু ও সামাজিক অবস্থানসহ নানা সমীকরণের কারণে তিনি মায়ের কাছে সময় নেন।

আরও পড়ুন: ‘টাকা পয়সা নয়, বাবা বদিকে চাই’
তবে এখন বয়স বাড়ার কারণে পিতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন। আর এই তাগিদ থেকে বদির ছোটবোন শামসুন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মা-ছেলে। তারা ঘরোয়াভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন।

তবে বদি কৌশলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তাই বাধ্য হয়ে পিতৃত্বের দাবিতে আদালতে এসেছেন।

শেয়ার করুন...

Design: POS Digital
Shares