সংবাদ শিরোনাম

তবুও বেপরোয়া ডাম্পার থামানোর কেউ নেই!

কক্সবাজার প্রতিনিধি।।
গত দুই সপ্তাহের মধ্যে কক্সবাজার সদরে মহাসড়ক ও উপসড়কে ঘটে গেল বড় দুটি দূর্ঘটনা। গত ২৮ নভেম্বর ঘটে যাওয়া দূর্ঘটনায় প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থী ফাহাদসহ আবুল বশর নামের এক বৃদ্ধের। এটার রেশ কাটতে না কাটতেই গত ১১ ডিসেম্বর পিএমখালীতে ঘাতক ডাম্পার কেড়ে নিলো আরফাত নামের আরেক জেএসসি পরীক্ষার্থীর পা। পা কেটে ফেলার পরেও প্রাণ নিয়ে এখনো বিপদমুক্ত হয়নি আরফাত। বর্তমানে সে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে। তবুও এই ঘাতক অবৈধ ডাম্পারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি প্রশাসন। উল্টো ঘাতক ডাম্পার মালিক স্থানীয় প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত ২৪ নভেম্বর দৈনিক সমুদ্রকন্ঠ পত্রিকায় কক্সবাজার সড়কে ১৮৯৫টি অবৈধ ডাম্পার চলমান শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল। যা কর্তৃপক্ষ, পুলিশ প্রশাসন ও ডাম্পার মালিকদের নজরে পড়লেও কেউই গুরুত্ব দেয় নি। গত ২ ডিসেম্বর সদরে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য সংগঠন সড়কে ১ঘন্টা মানববন্ধন করেও কোন প্রতিকার পায় নি। এখন জনমনে প্রশ্ন,অবৈধ ডাম্পার থামানোর কেউ নেই?
নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনরত কক্সবাজারের নেতারা জানান,এসকল অবৈধ ডাম্পার মাসোহারা দিয়ে সড়কে চলাচল করে। রেজিষ্ট্রেশনবিহীন ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি অবাধে চলছে মহাসড়কে। এছাড়াও বেশীরভাগ ড্রাইভার নেশাগ্রস্থ বলেও অভিযোগ রয়েছে তাদের কাছে। এই সকল অবৈধ গাড়ি ও ড্রাইভারদের আইনের আওতায় না আনলে সড়কে দূর্ঘটনা কমানো অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন তারা। বর্তমান সরকারের নতুন সড়ক আইনকে স্বাগত জানিয়ে তা দ্রত বাস্তবায়নের আহবান জানিয়েছেন তারা।
কক্সবাজার জেলার সড়ক জুড়ে যে সকল গাড়ি অবৈধভাবে চলাচল করছে, তা রেজিষ্ট্রেশনের আওতায় আসলে সরকার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। তাছাড়া সকল ড্রাইভারদের লাইসেন্সের আওতাভুক্ত করলে সড়কে যেমন শৃঙ্খলা ফিরবে ঠিক তেমনি সরকার পাবে আরেকদফা কোটি টাকা রাজস্ব। যে সকল পরিবহন সংগঠন টোকেন বাণিজ্য করছে তারাই মূলত সরকারকে কোটি টাকা রাজস্ব হতে বঞ্চিত করছে। টোকেন বাণিজ্যের সাথে যারা জড়িত তারা দেশও জাতির শত্রু বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন মহল।
খবর নিয়ে জানা যায়, শুধু ডাম্পার নয়, সড়ক ও মহাসড়ক জুড়ে পিকআপ,ট্রাক,মাইক্রোবাস,সিএনজি,মাহিন্দ্রা,বাস,টমটম সহ আরো বিভিন্ন শ্রেণীর গাড়ির বেশীরভাগই লাইসেন্সবিহীন। বেশীরভাগ ড্রাইভার অপ্রাপ্ত বয়স্ক। তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স তো দূর,অনেকের এখনো ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হয়নি। ফলে প্রতিদিন ঘটছে সড়কে দূর্ঘটনা। সড়ক উপসড়কে প্রতিদিন প্রতিটা মুহূর্তে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। লিংকরোড় স্টেশন হতে কক্সবাজার শহরে প্রবেশের দূরত্ব মাত্র ৭ কিলোমিটার। অথচ এই ১০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে বর্তমানে সময় লাগে ১ঘন্টার অধিক। বর্তমানে শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা চরম দূর্ভোগে রয়েছে।
সচেতন মহলের দাবী, দ্রুত অবৈধ গাড়ি ও ড্রাইভারদের লাইসেন্সের আওতায় আনা হোক। নুতন সড়ক আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। এতে সরকার পাবে কোটি টাকা রাজস্ব আমরা ফিরে পাবো সড়কে শৃঙ্খলা।

মোহাম্মদ ফরিদ,কক্সবাজার থেকে: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বৈধ কাগজপত্র বিহীন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার হয়ে কাজ করছিলেন এমন ১৬ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করে র্যাব-৭। ১৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি যৌথ চেকপোস্টে...

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

কক্সবাজার প্রতিনিধি।। পর্যটন নগরী কক্সবাজারের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ও পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। রবিবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কালী বাড়ি, সরস্বতি বাড়ি, বঙ্গপাহাড়,...



Logo

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

 
Shares