সংবাদ শিরোনাম
  • রাত ১২:২৭ | ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ইং , ৯ই ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জমাদিউস-সানি ১৪৪০ হিজরী

জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মোরশেদ হোসাইন তানিমের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবনী

মোহাম্মদ ফরিদ,কক্সবাজারঃ

মোরশেদ হোসাইন তানিম মাঠ থেকে উঠে আসা একজন কর্মীর নাম — বাবা এস.এম নুরুন্নবী কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা। নিঃসন্দেহে বলা যায় একজন মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান। স্কুল জীবন থেকে ছাত্ররাজনীতিতে পদার্পণ,জোট সরকারের আমলে রুমালিয়ার ছড়া এলাকায় হতালের সমর্থনে মিছিল করায় জেলে যেতে হয়েছে। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল আজিম কনক ও সাধারন সম্পাদক এম.এ মঞ্জুর কমিটির সময় কালে গঠিত পৌর ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির আহবায়ক হেলাল উদ্দীন কবির যিনি বর্তমানে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের ক্রীড়া সম্পাদক ও পৌর সভার ৯ নম্বার ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন এবং যুগ্ন-আহবায়ক কায়ছারুল হক জুয়েল যিনি জেলা আওয়ামীলীগের প্রাণ পুরুষ মরহুম জননেতা মোজাম্মেল হক সাহেবের কনিষ্ঠ সন্তান ও বর্তমান স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নিয়ে গঠিত কমিটির সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী পরিশ্রমী ছাত্রনেতা হিসাবে হেলাল উদ্দিন কবির ও কায়ছারুল হক জুয়েল সাক্ষরিত কক্সবাজার টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।দীর্ঘদিন পরিশ্রমের পর বিএনপির তথা ছাত্রদলে দুর্গ ক্ষ্যত টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ কে ছাত্রলীগের দুর্গে রুপান্তরিত করেছেন যা বর্তমানেও দৃশ্যমান। টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে সভাপতি থাকা অবস্তায় ২০১০ সালে ছাত্রদের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে ছাত্রদের অনুরোধে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদকে প্রতিদ্বন্দ্বী হন। না না ধরনের প্রতিকুলতার মাঝে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা করা হলে মোরশেদ হোসাইন তানিমের নাম বাদ পড়ে। তখন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয় আলী আহম্মদ ও সাধারন সম্পাদক আবু তাহের আজাদ। সংগঠনের বৃহৎ স্বার্থকে মেনে নিয়ে আলী-তাহের কমিটির জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যান কিন্তু পরবর্তিতে ছাত্রলীগের ছাত্রদের দাবি দীর্ঘদিন পুর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়া ও হলেও অছাত্র,অযুগ্য ব্যক্তি কমিটিতে স্থান হওয়া খবরের পরিপেক্ষিতে ৭১ ইউনিয়ন ও ৮টি উপজেলা ও সাংগঠনিক উপজেলা এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজ নিয়ে গঠিত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন মোরশেদ হোসাইন তানিম । পরবর্তী কালে আন্দোলকে স্থব্ধ করতে তৎকালিন কেন্দ্রীয় সভাপতি /সাধারন সম্পাদক এইচ.এম.বদিউজ্জামান সোহাগ-সিদ্দিকী নাজমুল আলমকে ভুল বুঝিয়ে প্রকৃত ছাত্রকে অছাত্র পরিচয়ে মোরশেদ হোসাইন তানিম সহ বহিষ্কার করা হয় কক্সবাজার ছাত্রলীগের ১১নেতাকর্মীকে বহিষ্কৃত হলেন মহেশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক শেখ কামাল,জেলার সাবেক উপ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজ মোর্শেদ, রামু উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, কক্সবাজার সরকারি কলেজের যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াহিদুর রহমান রুবেল, সদস্য মোনাফ সিকদার, মবিনুল হক, ইসমাইল সাজ্জাদ, কক্সবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি মোরশেদ হোসাইন তানিম, সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম রুবেল, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মজিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফউজ্জামান শুভ।
পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির তদন্তসাপেক্ষে সকলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং ছাত্রত্ব আছে এমন অনেকে জেলায় দায়িত্ব দেওয়া হয় তার মাঝে ত্যাগ ও পরিশ্রম কে সম্মান দেখিয়ে মোরশেদ হোসাইন তানিম কে পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।অর্পিতকে দায়িত্ব নিষ্টার সাথে নিয়ে ঝিমিয়ে থাকা পৌরসভার ১২ টি ওয়ার্ডে ছাত্রলীগের দুর্গ হিসাবে গড়ে তুলেছেন যা বর্তমানে দৃশ্যমান এবং পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলায় ত্যাগী নেতৃবৃন্দ যেন নেতৃত্বে বাদ না পড়ে সেই লক্ষে কাজ করেছেন নিরলস ভাবে যা বর্তমানে চলমান। পৌরএলাকার অসংখ্য কর্মী বর্তমান জেলা ছাত্রলীগে বিভিন্ন পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন উপজেলাতেও তা দৃশ্যমান। ২০১৪ সালে আলী আহম্মদ ও আবু তাহের কমিটি পরবর্তী জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে আবারো সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হলে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রকারীদের বেড়া জালে পড়ে যায় মোরশেদ হোসাইন তানিম সাধারন সম্পাদক থেকে আবারও নাম বাদ পড়ে। পরবর্তীতে জেলার সভাপতি ইসতিয়াক আহম্মেদ জয় ও সাধারন সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ নির্বাচিত হলে উক্ত কমিটিতে ও সিনিয়র যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক করা হয় পরবর্তীকালে জেলা সাধারন সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ নিজ ইউনিয়ন জালালাবাদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও নীতিনির্ধারক সদ্যবিদায় কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন, মোরশেদ হোসাইন তানিম কে ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে নির্ঘুম ভাবে সংগঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, হাজারো ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের মাঝেও। গত জুলাই মাসে বহু প্রতিক্ষীত কক্সবাজার পৌর নির্বাচনে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে জনগনের অনুরোধে কাউন্সিলর নির্বাচন করতে চাইলেও কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তাফা, সাধারন সম্পাদক নব-নির্বাচিত পৌরপিতা মুজিবুর রহমান,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম ও স্থানীয় এমপিবৃন্দের বিশেষ অনুরোধে এবং জেলা ছাত্রলীগের নীতিনির্ধারক হওয়ায় সংগঠনের বৃহৎ স্বার্থে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন এবং নৌকাকে বিজয় লক্ষে জেলার সমস্থ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়ে দদিন-রাত এক করে জননেত্রী শেখ হাসিনাও নৌকার উন্নয়নের প্রচারনা চালানো হয় যার ফল হিসাবে নিজ কেন্দ্রে যেটি জামাতের কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত শহীদ তিতুমীর ইনঃ কেন্দ্রে আশে পাশে এলাকায় প্রচারনার করা হয় এবং ঐ ২৫ তারিখ ঐকেন্দ্রে নৌকা মার্কা ইতিহাসের প্রথম শীর্ষ ভোট পায় যা সকলের মুখে প্রশংসার রুপ নেই।

সর্বশেষ কোেটা আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের নামে সৃষ্ট সরকার বিরোধী আন্দোলনে যেন নিজ জেলা কক্সবাজারে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা যেন কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সম্মুখীন করতে না পারে সেই দিকে দিন-রাত খবরা খবরের মাধ্যমে কাজ করে যা

মোহাম্মদ ফরিদ,কক্সবাজার থেকে: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বৈধ কাগজপত্র বিহীন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার হয়ে কাজ করছিলেন এমন ১৬ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করে র্যাব-৭। ১৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি যৌথ চেকপোস্টে...

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন



L0go

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

 
Shares