সংবাদ শিরোনাম

কক্সবাজার জেলা ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে ডায়াবেটিস পয়েন্ট’র লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

ফয়সাল রিয়াদ
কক্সবাজার জেলা ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে ডায়াবেটিস পয়েন্টের উত্তরপাশে’র মাঠে লাখো মুসল্লিরা জুমার নামাজ আদায় করেন।
কক্সবাজার শহরের ডায়াবেটিস পয়েন্টস্থ সমুদ্রের পাড়ে চলা ৩ দিনের জেলা ইজতেমায় এক ধর্মপ্রাণ মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে মোক্তার আহমদ (৫৮) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেন ইজতেমার জিম্মাদার। মৃত্যুবরণ করা মোক্তার আহমদ হলেন চকরিয়ার ঢেমুশিয়া মোছারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
মরহুমের প্রথম নাজাজে জানাজা জুমার নামাজের পরে ইজতেমার ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এর পর স্বজনতের মাধ্যমে তাঁর নিজ গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়।

জুমার নামাজের ইমামতি করেন মুফতী মাওলানা মোর্শেদুল আলম। জুমার নামাজে অংশ নিতে সকাল থেকে কক্সবাজার ও এর আশপাশের এলাকা থেকে মুসল্লিরা পায়ে হেটে ও দুরদুরান্ত থেকে গাড়ী নিয়ে ইজতেমা ময়দানে আসেন।
এর আগে বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইজতেমার দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। শনিবার ১১ টা থেকে দুপুরের ভেতরে আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্টিত ইজতেমার কার্যক্রম শেষ হবে। ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এদিকে সকাল থেকে বিপুল মানুষের স্রোতের কারণে কক্সবাজার শহরের আশেপাশের সড়কগুলোতে সকাল থেকে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ইজতেমা মাঠে স্থান সংকুলন না হওয়ায় অনেককেই দেখা গেছে খোলা জায়গায় খবরের কাগজ, জায়নামাজ, পলিথিন ও হোগলা বিছিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।
ইজতেমাস্থলে সাধারণ মুসল্লিদের নিরাপত্তা দিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশ, আনসার ও র‌্যাব সদস্যসহ বিভিন্ন গোয়েন্দাসংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

ইজতেমা ময়দানে স্বাস্থ্য বিভাগ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পানি সরবরাহ ও আগত মুসল্লীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য মাঠে অবস্থান করছেন। ইজতেমায় হ্নীলা থেকে আসা আবদুল্লাহ আল খালেদ জানান, আল্লাহর রেজামন্দি হাসিলের উদ্দেশ্যে ইজতেমায় অংশগ্রহন করলাম। খুব ভালো লেগেছে। ইবাদত বন্দেগী করতে পেরে।
ইজতেমার আয়োজকরা জানান, বিদেশী মুসল্লিসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক মুসল্লি বিভিন্ন মেয়াদী চিল্লার নিয়ত করে জামাতবন্দি হয়ে ইজতেমা ময়দানেই রয়েছে। তারা আখেরী মোনাজাত শেষ করে তাবলীগের কাজে বিভিন্ন অঞ্চলে বেরিয়ে যাবেন।
মুসল্লিদের সুশৃংখল অবস্থানের জন্য ইজতেমা ময়দানে চটের তৈরি পুরো প্যান্ডেলকে বিভিন্ন খিত্তায় ভাগ করে বিভিন্ন উপজেলাওয়ারী মুসল্লিদের অবস্থানের জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। জুমার নামাজে স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মোহাম্মদ ফরিদ,কক্সবাজার থেকে: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে বৈধ কাগজপত্র বিহীন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার হয়ে কাজ করছিলেন এমন ১৬ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করে র্যাব-৭। ১৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি যৌথ চেকপোস্টে...

ফেসবুকে আমাদের সাথে থাকুন

কক্সবাজার প্রতিনিধি।। পর্যটন নগরী কক্সবাজারের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ও পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন। রবিবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কালী বাড়ি, সরস্বতি বাড়ি, বঙ্গপাহাড়,...



Logo

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

 
Shares